
কক্সবাজারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হোটেল রামাদার এইচআর ম্যানেজার আহমাদুল হাসানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাথী নামে এক নারী কক্সবাজার সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের শুরু থেকে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন হোটেলে কাজের সূত্রে ওই নারীর সঙ্গে আহমাদুল হাসানের পরিচয় হয়। পরে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীর দাবি, একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন আহমাদুল হাসান। এ ছাড়া বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনের কথা বলে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকার বেশি নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৮ জুলাই বিকেলে বিয়ের কথা বলে ওই নারীকে কক্সবাজারের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যান আহমাদুল হাসান। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
পরদিন বিয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে আহমাদুল হাসান নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে অভিযোগকারীর দাবি। পরে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে ব্লক করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
১০ জুলাই রাতে হোটেল রামাদায় গিয়ে বিয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে আহমাদুল হাসান বিয়ে করবেন না এবং সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
অভিযোগকারী জানান, বিয়ের আশ্বাসে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের পর তিনি সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
তবে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হোটেল রামাদার এইচআর ম্যানেজার আহমাদুল হাসান। তিনি অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।